পর্নতে আসক্ত ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী

(Last Updated On: নভেম্বর ১৯, ২০১৭)

নতুনসময় : ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রী ডামিয়েন গ্রিন যৌনতার প্রতি বেশ দুর্বল। ব্রিটিশ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে গর্বের সঙ্গে থেরেসা মে সরকারকে সাহায্য করে গেলেও তার ব্যক্তিগত চরিত্র বেশ দুর্বল বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দি ডেইলি মেইল শনিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০০৮ সালের নভেম্বরে দুর্নীতির দায়ে পুলিশ ডামিয়েনের অফিসে তল্লাশি চালাতে গিয়েই ঘটনাটি টের পায়।

সেই তল্লাশির সময় ডামিয়েনের ব্যক্তিগত কম্পিউটারও জব্দ করা হয়। পরে সেই কম্পিউটারে দুর্নীতি সম্পর্কিত তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে আক্কেল গুরুম হয়ে যায় তদন্তকারীদের। পরীক্ষা করে তারা দেখেন, বর্তমানে ব্রিটিশ উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা ডামিয়েনের কম্পিউটারে প্রচুর পরিমাণে সেক্স ভিডিও রয়েছে। বলতে গেলে পর্ন ভিডিও’র কালেকশন করেছিলেন তিনি।

অবশ্য তখন আইনী দুর্বলতার কারণে কম্পিউটারে পর্ন ভিডিও রাখার জন্য কোনো শাস্তির মুখোমুখি হননি ডামিয়েন। কিন্তু ওই ঘটনার ঠিক দু’মাস বাদেই পর্ন ভিডিও সংরক্ষণের জন্য বিশেষ আইন পাশ করা হয় ব্রিটেনে।

২০০৯ সালের ২৬ জানুয়ারি সংবিধানের ৬৩ এবং ৬৭ ধারায় পর্ন ভিডিও ধারণ ও সংরক্ষণে শাস্তির বিধান রেখে আইন পাশ করা হয়।

ডেইলি মেইলের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি ২০০৯ সালে ডামিয়েনের কম্পিউটারে সেক্স ভিডিও’র অস্তিত্ব মিলতো তবে পরিস্থিতি পাল্টে যেত। তবে শুধু পর্নগ্রাফি সংরক্ষণই নয়, তার বিরুদ্ধে একাধিকবার যৌন হেনস্তার অভিযোগও নাকি পাওয়া গেছে।

হয়রানির শিকার হওয়াদের মধ্যে এক নারী সাংবাদিকও রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, দু’বছর আগে সাক্ষাৎকার নেয়ার ফাঁকে ডামিয়েন নাকি তার নগ্ন হাঁটু স্পর্শ করেন এবং কু’ইঙ্গিত দেন।

অবশ্য ডামিয়েন গ্রিন বরাবরই কম্পিউটারে পর্ন ভিডিও রাখার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, বদ উদ্দেশ্যে কোনো পক্ষ তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলছেন, সেবার তল্লাশির সময় তার কম্পিউটারে যে পর্ন ভিডিও পাওয়া গিয়েছিল সেই ব্যাপারে তখন পুলিশ কোনো মন্তব্যই করেনি। একই সঙ্গে সাংবাদিক কেট মেল্টবে নামের ওই নারী সাংবাদিকের যৌন হয়রানির অভিযোগও অস্বীকার করে আসছেন তিনি।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.