রেকর্ড গড়লেন শেখ হাসিনা

(Last Updated On: জানুয়ারি ১২, ২০১৮)

আজ ১২ জানুয়ারি। চার বছর আগে এই দিনে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তিনি দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করেন। এর আগে তিনি ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। সেই থেকে অদ্যাবধি শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একজন সরকারপ্রধান হিসেবে তিনি বাংলাদেশে রেকর্ড গড়লেন। টানা ৯ বছর আর কোন সরকারপ্রধান দেশ পরিচালনা করার সুযোগ পায়নি।

এর আগে শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। পূর্ণ মেয়াদ পার করে তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ ক্ষমতা দখল করেন। এরপর ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়ে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা হস্তান্তর করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে। ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। এছাড়া বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

 ১৯৭১ সালে অনেক রক্তের দামে স্বাধীনতা এসেছিল। মুক্তির আনন্দে ভেসে গিয়েছিল সারাদেশ। কিন্তু বিজয়ের স্বাদ মানুষ বেশি দিন পায়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর দু’জন সামরিক শাসক মসনদে বসে। তারা ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিল।

দীর্ঘ পথ পাড়ি দেয়ার পর ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আবার সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিক যাত্রায় শামিল হয়। ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। সরকারপ্রধান হন বেগম খালেদা জিয়া। এরপর ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। এরপর আবারও আসে চারদলীয় জোট সরকার যার নেতৃত্বে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ৬ জানুয়ারি ২০০৯ সালে আবারও ক্ষমতায় আসে মহাজোট সরকার। সেই থেকে আজ পর্যন্ত শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.