আবেদ সিন্ডিকেটের প্রতারনায় নিঃস্ব বোয়ালমারীর শহিদুল

(Last Updated On: এপ্রিল ১, ২০১৮)

জাহাঙ্গীর আলম বোয়ালমারী থেকে : লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার কাইতারবাড়ি গ্রামের আবেদ আলীর সাথে ভারতীয় গরু ব্যাবসার সুত্র ধরে পরিচয় হয় ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার বান্দুগ্রামের রশিদ শেখের ছেলে শহিদুল ইসলামের, বেশ কিছুদিন ভালই চলছিল উভয়ের ব্যবসায়ীক লেনদেন। একসময় আরও ঘনিষ্ট সম্পর্ক স্থাপন করতে শহিদুলকে ধর্মভাই ডাকে আবেদ আলীর স্ত্রী। কিছুদিন বাদে বড় ধরনের চালান আনার জন্য শহিদুলের কাছে মোটা অংকের টাকা চায় আবেদ আলী, শহিদুল আবেদ আলীর কথায় বিশ্বাস করে নিজের চাষাবাদের জমি বিক্রি করে এবং এলাকাবাসীর থেকে ধার দেনা করে প্রায় দশ লাখ টাকা প্রদান করে আবেদ আলীকে, এরপর থেকে লাপাত্তা হয়ে যায় আবেদ আলী।নিজের জমি হারিয়ে এবং পাওনাদারদের চাপে মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ে শহিদুলের।দিনের পর দিন টাকা উদ্ধারে ছুটতে থাকে বোয়ালমারী থেকে লালমনিরহাট। নালিশ দেন লাল মনিরহাটের গন্যমান্য ব্যাক্তিদের কাছে, থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয় শহিদুল, অতপর শুরু হয় প্রতারনার নতুন ফাদ।

কয়েকদিন বাদে বোয়ালমারীতে শহিদুলের বাড়িতে হাজির হয় আবেদ আলীর ছেলে এবং স্ত্রী, সাথে বেয়াই। শহিদুলকে মামলা না করতে অনুরোধ জানায় তারা।আবেদ আলীর ছেলে মাকে শহিদুলের বাড়িতে রেখে যায় এবং প্রতিশ্রুতি দেয় একসপ্তাহের মধ্যে টাকা নিয়ে ফিরে আসবে সে। আবেদ আলীর স্ত্রী ধর্ম ভাই শহিদুলকে অনুরোধ জানায় তার স্বামী যেহেতু পলাতক, আপাতত তাকে যেন কয়েকটা দিন আশ্রয় দেয়া হয়।

মানবিক দৃষ্টিতে তাদের আশ্রয় দেন শহিদুল, অতপঃর শহিদুলের নামেই আবেদ আলীর ছেলে মাকে শহিদুলের বাড়িতে আটকে রাখার মিথ্যা অপহরণ মামলা দেয়।সব দিক দিয়ে প্রতারণার বিরাট জালে জড়িয়ে যায় শহিদুল এবং তার পরিবার।সহায় সম্বলহীন নিঃস্ব এ মানুষটি বুঝে উঠতে পারেনা কি করবে এখন।স্ত্রী সন্তান নিয়ে বর্তমানে অমানবিক দিন কাটাচ্ছে শহিদুল। এমন প্রতারকদের কঠোর শাস্তি ও বিষটির সঠিক সুরাহার অনুরোধ জানায় ভুক্তোভোগী শহিদুল।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.