বোয়ালমারীতে ইউপি সদস্য সহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

(Last Updated On: জুন ৮, ২০১৮)

সংবাদদাতা ,বোয়ালমারী ফরিদপুর,বোয়ালমারীতে চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ইউপি সদস্য মতি কাজী ও তার সহযোগী ইয়াবা রাণী খ্যাত লাবণী আক্তার কে আটক করেছে বোয়ালমারী থানা পুলিশ ও র‍্যাব ৮ ।

গত বুধবার রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা কন্যা হিসেবে পরিচিত লাবনী আক্তার (২৫) কে আটক করে স্থানীয়  পুলিশ। সে সোতাশী গ্রামের নান্নু বিশ্বাসের কন্যা।  বুধবার রাত ১০টার দিকে  পৌর সদরের  ঠাকুরপুর বাজার এলাকা থেকে  ওসি (তদন্ত)  মো.সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে  এসআই দিপংকর শ্যানাল ও এএসআই  মো.আব্দুল আলীম  তাকে গ্রেফতার করে। এসময় তার পরিহিত জিন্সের প্যান্টের পকেট থেকে  ৭০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। বোয়ালমারী থানার পুলিশ পরিদর্শক  (তদন্ত) মো. সহিদুল ইসলাম  জানান,  লাবণী দীর্ঘদিন যাবত  মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তার সাথে প্রভাবশালী একটি  মহলের সখ্যতা রয়েছে। এ মহলটিকে ম্যানেজ করেই  সে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিল।  লাবণীকে আটকের জন্য এর আগেও  বিভিন্ন স্থানে অভিযান  চালানো হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বোয়ালমারী থানার এসআই দীপঙ্কর শ্যানাল বাদি হয়ে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রধান আসামী এবং তার স্বীকারোক্তি অনুসারে ইউপি সদস্য মতি কাজী  কে ২নং পলাতক  আসামী দেখিয়ে  মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় লাবণী কে আদালতে সমর্পণ করলে আদালত  বৃহস্পতিবার তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করে ।

অপরদিকে লাবণীকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশের পরপরই র‍্যাব ৮ সিপিসি ০২  ফরিদপুর ক্যাম্পের  একটি অভিযানিক দল-  কোম্পানি অধিনায়ক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মো. রইস উদ্দিনের নেতৃত্বে  বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে  লাবণীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বোয়ালমারী  উপজেলার সোতাশি গ্রামে অভিযান চালিয়ে  মো. মতি কাজী (মেম্বার) ৪২ কে  আটক করে। র‌্যাব-৮ ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  মোঃ রইস উদ্দিন জানান, -গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব ৮ বোয়ালমারীর সোতাশী গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে।সেখান থেকে মাদক মামলার পালাতক আসামী বোয়ালমারী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার মতি কাজীকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ২শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা অভিযানিক দল।

র‌্যাব ৮  আরো জানায়, মতি কাজী একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। জনপ্রতিনিধির ছদ্মবেশে সে দীর্ঘ দিন যাবৎ ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানা এলাকায় নিষিদ্ধ ইয়াবা সেবন ও বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। সে ১০ জন সহযোগীর মাধ্যমে ইয়াবা বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে বলে স্বীকার করেছে ।মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হবে ।

Print Friendly

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.