মন্ত্রীত্ব হারালে নৌ খান দলে থাকবেন?

(Last Updated On: আগস্ট ৭, ২০১৮)

জাফর ওয়াজেদ:  দলে এই সংশয়টা কাজ করে বলে শাজাহান খান নামক নামে কামে

খ্যাতিমান রাজনীতিককে কোনভাবে ঘাটানো হয় না।ওনার আব্বাজান

ছিলেন বঙ্গবন্ধু অন্তপ্রাণ-১৯৭০সালেরএমসিএ আসমতআলীখান।

১৯৭২সালে পুত্রটি জাসদ গণবাহিনী বনে যায়-পিতা তখন গণপরিষদ সদস্য।

১৯৮৬সালে লীগে যোগ দেয় -এমপি হয়।তখন তিনি শ্রমিক নেতা

১৯৯৬সালে মন্ত্রী না করায় গোস্বা হয়। সংসদীয় কমিটিতে গুরুত্ব পান।

২০০১সালে নির্বাচনে তার আসনে লীগ  মনোনয়ন দেয় বাহাউদ্দিন নাসিমকে।

শুনে ক্ষিপ্ত শাজাহানখান সটান চলে যান হাওয়াভবন। শুরু হয় দেন দরবার।

নির্বাচন করার জন্য মি.খান তারেক রহমানের কাছে তিনকোটি টাকা দাবি করেন।

তারেক মাত্র ১কোটি দিতে সম্মত হয়।

আমি তখন একটি দৈনিকের চীফরিপোর্টার।দ্বিতীয় সংস্করণের জন্য নিউজ

সংগ্রহ করতে যেয়ে হাওাভবনসূত্র ঘটনা জানিয়ে বলে তিনি এখনো বসে আছেন।

মন্তব্য জানতে ফোন করি লীগের সম্পাদক অতিচেনা গুরুজন আবদুল জলিলকে।

তিনি তখন চ্যানেল আইতে মেকাপরুমে–লাইভ করবেন। কিছুতেই বিশ্বাস করতে

চান না বিশ্বস্ত আমার ভাষ্য। বললেন একটু আগে খান নেত্রীর বাসায় বসে কথা বলছিল।

বুঝলাম ওখান হতে সটান চলেগেছেন।”তুমহারি জলিল”ভাইকে সোর্সর নাম্বার দিলাম-

যা ওনারও পরিচিত।পরের ফোন দেন নেত্রীকে-সোর্স হিসেবে আমার কথা জানালে

নেত্রী তা বিশ্বাস করে জলিল সহ অণ্য নেতাদের রাতে বাসায় ডাকেন।

হাওয়াভবনে বার্গেনিং সুবিধে হতেছে না দেখে  খান বাড়ি ফিরেন।জলিলসহ দলবল

তার বাড়িতে হাজির। বগলদাবা করে নেত্রীর সামনে। মনোনয়ন-বিজয়।

২০০৯নির্বাচন পরে মন্ত্রী।

সুতরাং দল তাকে বাদ দেবে কেন? বরং অন্য মন্ত্রণালয় যেমন ধর্ম দিতে পারে -তাতে পূণ্যির পথ মিলবে।

জাফর ওয়াজেদ, সিনিয়র সাংবাদিক।

ফেইস বুক থেকে।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.