খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেছে স্পেন যুবদল

(Last Updated On: অক্টোবর ৩১, ২০১৮)

কবির আল মাহমুদ :স্পেন : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার রায়ের প্রতিবাদে প্ৰতিবাদ সভা করেছে স্পেন যুবদল। সোমবার (২৯ অক্টোবর) স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বাংলা টাউন রেস্টুরেন্টে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিবাদ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্পেন যুবদলের সভাপতি রমিজ উদ্দিন সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্পেন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার।

সভা থেকে খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি দাবি করেন বিএনপি ও যুবদল নেতারা। এসময় এ রায়কে রাজনৈতিক আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবি জানান তারা।
স্পেন যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আওয়াল খানের সঞ্চালনায় সূচনা বক্তব্য দেন স্পেন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল হাসান। বক্তব্য দেন স্পেন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন মনু ,নূর হোসাইন পাটোয়ারী, আবুল খায়ের,এস এম আহমেদ মনির,সোহেল আহমেদ সমছু, স্পেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক সোহেল ভূঁইয়া,সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান দিদার,আবু জাফর রাসেল,ফ্রান্স যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাওন আহমেদ, হেমায়েত খান, হুমায়ূন কবির রিগ্যান,জাকিরুল ইসলাম জাকি ও ইমাদুর আরাফাতসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পেন বিএনপির সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার বলেন, “আমরা মনে করি, শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে দূরে সরানোর জন্য এবং আসন্ন নির্বাচনের যাতে তিনি অংশ গ্রহণ করতে না পারেন- সে জন্যই তাকে এ ধরনের একটি সাজানো মামলায় সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া এই সাজা প্রদান করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “এই রায় সম্পূর্ণভাবে ফরমায়েসি রায়। সরকার যা চেয়েছে, মন্ত্রীরা যা বলেছেন, তারই প্রতিফলন এই রায়ের মধ্যে এসেছে। আমরা এই রায় প্রত্যাখান করছি।”
সভাপতির বক্তব্যে রমিজ উদ্দিন সরকার রায় ঘোষণার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি হাসপাতালে থাকা অবস্থায় একটি মামলার রায় দেওয়া হয়েছে- এটা আইনবিরোধী। আইনে খুব স্পষ্ট করে বলা আছে, পুলিশ কাস্টডিতে আছেন, তাকে উপস্থিত করেই রায় দিতে হবে। তা না করে তার অনুপস্থিতিতে এই রায় দেওয়া হয়েছে।
“এই সাজানো মামলার বিচারকাজও একতরফাভাবে চলেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অসুস্থ হওয়ার পরে আদালতে আসতে পারছিলেন না। এরপরে তার বিচারের জন্য আদালত স্থানান্তর করা হয় কারাগারে। সেখানে বিচারকাজ শুরু করা হয়। এটাও অবৈধ।”

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.