৩০০ আসনে ৩ হাজার ৫৬ মনোনয়নপত্র জমা

(Last Updated On: নভেম্বর ২৯, ২০১৮)

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে বুধবার মনোনয়নপত্র জমার সময় শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ৩০০ আসনে ৩ হাজার ৫৬টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এছাড়া অনলাইনের আবেদন হয়েছে ২৩টি।

এবার কোনো আসনে একক প্রার্থী নেই। সবচেয়ে কম প্রার্থী মাগুরা-২ আসনে দুজন। সর্বোচ্চ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ঢাকা-১৭ আসনে ২৭টি।

বিভাগ অনুযায়ী ঢাকায় ৭০৮টি, রাজশাহীতে ৩৫৩টি, রংপুরে ৩৬১টি, খুলনায় ৩৫১টি, বরিশালে ১৮২টি, ময়মনসিংহে ২৩৬টি, সিলেটে ১৭৭টি, চট্টগ্রামে ৬৮৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।

ঢাকার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহ জালাল জানিয়েছেন, ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসনে মোট ২১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

 

ঢাকা-৪ আসনে ১৫ জন, ঢাকা-৫ আসনে ১৩ জন, ঢাকা-৬ আসনে ১৩ জন, ঢাকা-৭ আসনে ১৯ জন, ঢাকা-৮ আসনে ২২ জন, ঢাকা-৯ আসনে ১০ জন, ঢাকা-১০ আসনে ৯ জন, ঢাকা-১১ আসনে ১১ জন, ঢাকা-১২ আসনে ৮ জন, ঢাকা-১৩ আসনে ১২ জন, ঢাকা-১৪ আসনে ১৩ জন, ঢাকা-১৫ আসনে ১৬ জন, ঢাকা-১৬ আসনে ১০ জন, ঢাকা-১৭ আসনে ২৭ জন ও ঢাকা-১৮ আসনে ১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

অনলাইনে ৩৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এরমধ্যে পূর্ণাঙ্গভাবে ফরম পূরণ করেছে ২৩টি; এগুলো সঠিক রয়েছে।

বাকি ১৬টিতে অপূর্ণাঙ্গ তথ্য রয়েছে বলে ইসি সচিব জানান। ফলে বাছাইয়ে এগুলো বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই ৩ হাজার ৫৬টি মনোনয়নপত্র ২ ডিসেম্বর বাছাই করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এরপর কেউ যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে চান, তাদের জন্য ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় থাকছে।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর বৈধ প্রার্থী ও প্রত্যাহারের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী চূড়ান্ত হবে। প্রতীক বরাদ্দের পর শুরু হবে প্রচার। প্রচার শেষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হবে।

দশম সংসদ নির্বাচন বিএনপিসহ অধিকাংশ দলের বর্জনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলেও এবার সব দলের অংশগ্রহণে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন আশা করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশন এবং সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে এলেও বিএনপি ও তাদের মিত্র রাজনৈতিকগুলো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, তাদের মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

নিবন্ধিত ৩৯টি দলের মধ্যে ক’টি দল অংশ নিয়েছে, তা বৃহস্পতিবার জানাবে ইসি।

দশম সংসদ নির্বাচনে ওই নির্বাচনে ১২টি দল অংশ নিয়েছিল। মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল মাত্র ১ হাজার ১০৭টি, বাছাইয়ের পর টিকে থাকে ৮৭৭ জন। ১৫৩টি আসনে একজন প্রার্থী ছিল বলে তারা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হওয়ার পর নবম সংসদ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ২৮টি দল, প্রার্থী ছিল ১৫৬৭ জন।

নিবন্ধন চালু হওয়ার আগে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ৫৫টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিল ১৯৩৯ জন।

সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ৮১টি দল অংশ নেয়, ২৫৭২ জন প্রার্থী ছিল; ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে ১৪৫০ জন প্রার্থী ছিল, দল ছিল ৪২টি, পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ২৭৮৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, দল ছিল ৭৫টি।

চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে মাত্র ৮টি দল অংশ নিয়েছিল, প্রার্থী ছিল ৯৭৭ জন। তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫২৭ জন প্রার্থী ছিল, দল ছিল ২৮টি; দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯টি দল অংশ নেয়, প্রার্থী ছিল ২১২৫ জন; প্রথম সংসদ নির্বাচনে ১৪টি দল অংশ নেয়, ১০৯১ জন প্রার্থী ছিল।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.