বিছানায় স্মার্টফোন, যৌনজীবনে কতটা ক্ষতিকর

(Last Updated On: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮)

এবেলা.ইন: স্মার্টফোন জন্ম দিচ্ছে এক অসুখের। এর ফলে একে একে আত্মবিশ্বাস, লিবিডো, আকর্ষণ সবই চক্রবৃদ্ধি হারে ঝরে যায়। জন্ম নেয় শীতলতা ও তদজনিত ডিপ্রেশন।
গার্লফ্রেন্ড সারাক্ষণ পাশে বসে মোবাইল ঘাঁটছে? অথবা আপনি নিজেই কি স্মার্টফোনের নেশায় বন্দি? আপনার অথবা আপনার বান্ধবী টেকনোফেয়ারেন্স অসুখের শিকার। এই ভূত ঘাড়ে চাপলে গোল্লায় যাবে আপনার যৌনজীবন অথবা দাম্পত্য রসায়ন। সমীক্ষা বলছে তাই।

ব্রিজহ্যাম ইয়ং ইউনিভার্সিটির সমীক্ষকরা টেকনোফেয়ারেন্স নামক অসুখের সন্ধান দিচ্ছেন। ১৪৩ জনের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখছেন সম্পর্ক ও টেকনোফেয়ারেন্সের মধ্যের রসায়ন ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ ভেঙে বললে, যে দম্পতির জীবনে টেকনোফেয়ারেন্স বেশি তাদের রিলেশনশিপ বন্ড কমজোর। অন্য দিকে যে বিছানায় স্মার্টফোনের অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ, সেখানে সম্পর্কের শক্তি অনেক বেশি।

কিন্তু কেন এই শৈত্য? আসলে এই ধরনের ক্ষেত্রে টেকনোলজির অনুপ্রবেশে সম্পর্কিত ব্যক্তি অস্তিত সংকটে ভোগেন। মনে করেন তাঁর চেয়ে ফোনের উলটো দিকে থাকা মানুষটি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এর ফলে একে একে আত্মবিশ্বাস, লিবিডো, আকর্ষণ সবই চক্রবৃদ্ধি হারে ঝরে যায়। জন্ম নেয় শীতলতা ও তদজনিত ডিপ্রেশান।

কী ভাবে এই অসুখে মোকাবিলা করবেন? রইল পাঁচ দাওয়াই—

প্রথমেই সমস্যাটিকে চিহ্নিত করুন।
প্রিয়জন এই ধরনের অভিযোগ করলে তা যত্ন সহকারে শুনুন।
বেডরুমে টেকনোলজি ফ্রি টাইম জোন তৈরি করুন দু’জনে কথা বলে।
চাহিদায় ভারসাম্য থাকা জরুরি। অযথা খবরদারি সম্পর্কের ভিত নাড়িয়ে দেয়। সেক্ষেত্রে সন্দেহ তৈরি হলে নিজেকেও প্রশ্ন করা উচিত।
সম্পর্কে প্রত্যাশা থাকবে। সেই প্রত্যাশা পূরণের দায় আপনার। নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করুন। ছোট ছোট গোল সেট করুন। সর্বোপরি ঘরে বাইরে আপনার প্রায়োরিটি আপনাকে নিজেই ঠিক করতে হবে। স্ট্রেস থাকবে, নানা দরজাও থাকবে। আপনি কোন সুইচটা অন করবেন কোনটা অফ, সিদ্ধান্ত আপনার।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.