সর্বশেষ সংবাদ

দেশে সাক্ষরতার হার বেড়ে ৭৪.৭০%

(Last Updated On: September 6, 2020)

আমাদের সময়ঃ  বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার এক বছরের ব্যবধানে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। এর ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।

আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সবশেষ জরিপে সাক্ষরতার এই হার উঠে এসেছে। গত বছর দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৭৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। এবার তা বেড়ে ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ হয়েছে।’

আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসকে সামনে রেখে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী জাকির বলেন, ‘সরকারের নিরলস প্রচেষ্টায় দেশে সাক্ষরতার হার বেড়ে এই পর্যায়ে এসেছে। ২০০৫ সালে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় সাক্ষরতার হার ছিল ৫৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে এবারের সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘কোভিড-১৯ সঙ্কট: সাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন-শেখানো কৌশল এবং শিক্ষাবিদদের ভূমিকা’।

গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জানান, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরজ্ঞান দেওয়া হয়েছে। সাক্ষরতা বিস্তারে এই অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোর স্বীকৃতি স্বরূপ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার লাভ করে।

এছাড়া মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ২৫০টি উপজেলার ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরজ্ঞান দেওয়া হচ্ছে বলে জানান জাকির।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে ১৩৪টি উপজেলায় শিখন কেন্দ্রের মাধ্যমে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ৪৪১ জন নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করা হয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আরও ২১ লাখ নিরক্ষরকে সাক্ষরতা প্রদান করার কার্যক্রম চলমান আছে।’

দারিদ্র্য, অনগ্রসরতা, শিশুশ্রম, ভৌগলিক প্রতিবন্ধকতার কারণে এখনও অনেক শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে জানিয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থায় এসব শিশুর প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য একটি প্রকল্পের (পিইডিপি-৪) আওতায় ৮-১৪ বছর বয়সী বিদ্যালয় বহির্ভূত ১০ লাখ শিশুকে উপানুষ্ঠানিক প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম আল হোসেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক তপন কুমার ঘোষ ছাড়াও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.