বোল্টের শয্যাসঙ্গিনী হয়ে তারকা বনে গেছেন যে নারী

(Last Updated On: আগস্ট ২২, ২০১৬)

এক নারী নিজের কিছু অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ করেছেন অনলাইনে। বিশ বছর বয়সী এই নারীর সঙ্গী আর কেউ নন, খোদ গতিদানব উসাইন বোল্ট। গতিদানবের ৩০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এই আনন্দ উদযাপন বলে জানিয়েছেন তার বিছানার সঙ্গিনী জ্যাডি ডুয়ার্টে। বোল্ট তাকে জড়িয়ে ধরে রেখেছেন এবং চুমু খাচ্ছেন এই ধরণের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন জ্যাডি। ডুয়ার্টে তার বন্ধুদের সঙ্গে ছবি শেয়ার করলে ব্রাজিলের কয়েকটি ওয়েবসাইটে তা চলে আসে। বান্ধবীকে জড়িয়ে ধরে ক্যামেরার দিকেই তাকিয়ে ছিলেন কিংবদন্তি অ্যাথলেট।

জ্যামাইকার স্প্রিন্টার তার ৩০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনে রিও’র বারা ডি টিজুকা নামের একটি ক্লাবেও যান। জন্মদিনের সকালটা সেখানে আরেক স্থানীয় মেয়ের সঙ্গে বেশ অন্তরঙ্গ নাচেই কাটিয়ে দেন তিনি। ক্যারিয়ারের তৃতীয় অলিম্পিকে এসে তিনটি স্বর্ণ পদক ঝুলিতে পুরেছেন বোল্ট। সর্বকালের সেরা স্প্রিন্টার বলে বিবেচিত করা হচ্ছে তাকে। জ্যামাইকাতে বোল্টের প্রেমিকা থাকে যাকে তিনি ‘প্রথম নারী’ বলেই সম্বোধন করেন। আর রিও’তে এসে ডুয়ার্টের সঙ্গে সরাসরি বিছানায়। ছবিতে দেখা যায়, স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় ওই ছবিগুলো তোলা হয়েছে। স্থানীয় এক পত্রিকাকে জ্যাডি জানান, তার নজর কাড়তে বোল্ট এক নিরাপত্তারক্ষীকে পাঠিয়েছিলেন।

এক বিশাল তারকা খেলোয়াড়ের সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাতে কেমন লেগেছে এই প্রশ্নে এমন বড় তারকাদের কাছাকাছি আসাটা তেমন বড় বিষয় নয় বলেই জানিয়েছেন ডুয়ার্টে। তিনি জানান, হঠাৎ করেই এক নিরাপত্তাকর্মী এলেন এবং তার সঙ্গে কথা বলিয়ে দিলেন। কিন্তু তখন বোল্টকে ঠিকমতো চিনে উঠতে পারেননি জ্যাডি। কারণ তার মতো দেখতে অনেক জ্যামাইকান রিও’তে এসেছেন। তা ছাড়া বোল্টকে তো তিনি আশাই করেননি। ডুয়ার্টে বলেন, বোল্টের সঙ্গে সময় কাটাতে আমি কোনো পয়সা নেইনি। হাজার হলেও বোল্টের সঙ্গিনী তিনি। তাই রিও’র এই মেয়ে বিখ্যাত হয়ে গেছেন। কিন্তু এমনটা চাননি ডুয়ার্টে। বরং লজ্জায় মরে যাচ্ছেন, এমনটাই জানালেন তিনি। ডুয়ার্টে আরো জানান, একইদিন রাতে আরেক নারী নজর কাড়েন বোল্টের। তিনটি স্বর্ণ পদক জয়ের খোশমেজাজ নিয়েই ক্লাবে ঢুকেছিলেন স্প্রিন্টার। সেখনে নেচে-গেয়ে সময়টা উপভোগ করেন। এদিকে, বোল্টের বোন জানিয়েছেন যে তার ভাইয়ের প্রেমিকা আছে। নাম তার কাসি বেনেট। গত দুই বছর ধরে ডেটিং করছেন তিনি। এসব ঘটনার উত্তেজনা পুরোপুরি না ছড়াতেই রিও’র গ্যালেও ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে হাজির বোল্ট।

মাটি ছাড়ার আগে তিনি টুইট করেছেন, আমরা এসেছি, দেখেছি, জয় করেছি। রিও’র জন্য আমার সীমাহীন ভালোবাসা। জ্যামাইকানদের হসপিটালিটি হাউজে তার সম্মানে এক পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু বাজে আহাওয়ার কারণে তা বাতিল করা হয়। বোল্টের চলে যাওয়ার মাধ্যমে অলিম্পিকের সমাপনী অনুষ্ঠানে বড় তারকার উপস্থিতি থাকলো না। ইতিমধ্যে ফেলপস এবং স্যার ব্র্যাডলি উইগিন্স নিজ দেশে চলে গেছেন। বোল্টকে দেশে বীরের সম্মাননা জানানো হবে। তার জন্য ‘বোল্ট দ্য চ্যাম্পিয়ন’ শিরোনামে একটি গান লেখা হয়েছে। এটাই বোল্টের শেষ অলিম্পিক। আশা করা হচ্ছে, অ্যাথলেটিক্স দুনিয়াকে আজীবন কিছু না কিছু দিয়ে যাবেন তিনি। আজীবনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন স্পোর্টস ব্র্যান্ড নাইকির সঙ্গে। বছরে কামাবেন ৩০ মিলিয়ন ডলার। সূত্র : ডেইলি মেইল – dainikamadershomoy.com

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.