১৫ আগস্ট নাজাত দিবস পালনকারী এখন ইউ আঃ লীগ নেতা !

(Last Updated On: December 15, 2016)

হায়দার আলী ঃ  ১৯৯৩ সালের আগে তিনি ফ্রান্স বি এন পি র সাবেক সভাপতি তথাকথিত ডক্টরেট আপাদমস্তক আওয়ামী বিরোধী আবদুল মালেকের সাথে প্রবাস সংগঠন করতেন আবদুল্লাহ আল বাকী।

আবদুল্লাহ আল বাকীরা প্যারিসের পোর্ট দা লা চাপেলের একটি হলে ১৯৮৯-৯০-৯১ সালের ১৫ ই আগস্ট নাজাত দিবস পালন করেন বলে সূত্র দাবী করে । এ বিষয়ে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা বলেন এ বাকী যে পুরোটাই ফাঁকি আমরা বুঝতে পারি নাই ।

বাকী বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি প্রবাস সংগঠনের দ্বায়িত্বে থাকাকালীন সময় ১৫ ই আগস্ট নাজাত দিবস পালন করতেন কিংবা পিকনিক করে আনন্দে মেতে উঠতেন । প্যারিসে জামাত পরিচালিত ইস্তা মসজিদে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাকী অংশগ্রহণ করেন বলে জানা যায় ।

এছাড়া ঐ জামাত সংগঠনের স্মরনীকায় বিভিন্ন সময় আবদুল্লাহ আল বাকী বানী ছাপা হয় । ইউরোপ জুড়ে নেতা-কর্মীদের প্রশ্ন যে কিনা ১৫ আগস্ট শোক দিবসে নাজাত দিবস পালন করত এবং জামাত পরিচালিত সংগঠনকে পৃষ্টপোষকতা করে তার মতো লোক কি করে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি হয় । সর্ষের ভূত এখনই তাড়াতে হবে , না হলে এ ভূত দলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারন হবে বলে রাজনৈতিক বোদ্ধাদের মত ।

মূলত ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ ফয়সল ইকবাল হাসেমী তাকে (বাকী) ফ্রান্স আওয়ামী লীগে আনেন । এরপর দলের ভিতর প্রভাব সৃষ্টি করে  এক সময় সাধারণ সম্পাদক পদে অসীন হন ।  ফ্রান্স আওয়ামী লীগের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যর্থ  সাধারণ সম্পাদক এ আবদুল্লাহ আল বাকী । তার মেয়াদ কালে ফ্রান্স আওয়ামী লীগে প্রায় মারামারি হতো ।

প্রধানমন্ত্রীর হাঙ্গেরী সফরে বাকী কে অবজ্ঞা – ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল বাকী কাগজে – কলমে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় শীর্ষ কর্তা কিন্তু কার্যক্ষেত্রে টুটো জগন্নাথ । কোন কাজেই বাকী কে ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মূল্যায়ন করেন না ।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাঙ্গেরী সফরের সময় ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় কালে বাকী কে সব দিক দিয়ে অবজ্ঞা করা হয় । একমাত্র সহ-সভাপতি হিসেবে তাকে সভা মঞ্চে তো ডাকাই হয়নি উপরুন্ত , সহসভাপতি কে এম লোকমান হোসেন , যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম হক , নজরুল ইসলাম , সাংগঠনিক সম্পাদক জি এম কিবরিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিতে গেলে ঐ সময়েও বাকী কে ডাকা হয় নি । বিষয় টি নিয়ে সভাস্হলে কানাঘুষা হয় । এ নিয়ে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের এক কর্মী বলেন এখানে তিনি অপমানিত হননি , আমাদের অপমানিত করছেন । ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ জানেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগে তার কোন কতৃত্ব নেই । যে বেনজির আহমেদ সেলিম ও নাজিম উদ্দিন আহমেদরা প্রধানমন্ত্রী কে সুপারিশ করে তাকে ইউরোপিয়ান আওয়ামী সহ-সভাপতি করেছিলেন তিনি তাদের ছেড়ে বিদ্রোহী গ্রুপ কে ইন্ধন দেন ।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.