হোমনায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ধ্বংস করার পায়তারায়

(Last Updated On: February 1, 2017)

প্রতিনিধি, হোমনা (কুমিল্লা)বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ লতিফ মাস্টারের পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে পরিবারটিকে গ্রাম ছাড়া করে রেখেছে তাঁরই আপন ছোট ভাই কুমিল্লা জজ কোর্টের এজিপি এড. মবিনুল হক।

মুক্তিযোদ্ধা লতিফ মাস্টারের ৭২ বছর বয়স্ক স্ত্রী ও তার প্রতিবন্ধী ছেলে সন্তান সহ পরিবারের সকল সদস্য নিজেদের পৈত্বিক বসতভিটা ছেড়ে প্রানের ভয়ে পালিয়ে কুমিল্লা শহরে এসে আশ্রয় নিলে সেখানও তাদেরকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।বর্তমানে পরিবারটি মানবেতর জীবন যাপন করছে।

এলাকাবাসী ও বিশ্বস্থ সূত্রে জানা যায় যে, মুক্তিযোদ্ধার বড় ছেলে মনোয়ারুল ইসলামের সাথে পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য কথা কাটাকাটি হলে তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে এড. মবিন তার বিরুদ্ধে আদালতে ১টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।এবং তাকে প্রায় মাস খানেক আটক রাখতে সক্ষম হয়। সে এজিপি হওয়ার কারণে তার বিপক্ষে কোন উকিল লড়তে দ্বিধান্বিত থাকে।

এ বিষয়ে কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এড. মবিন যাদের সাক্ষী হিসেবে দাড় করান তারা তার মক্কেল ও আপন ভাগিনা কামাল,তপন ও ভাগিনী শিরিন।সাক্ষীদের এই বলে সাক্ষী হিসেবে দাড় করান যে তাদের মামলায় কোন টাকা লাগবে না। বিনা খরচায় তাদের মামলা চালানো হবে।বেশির ভাগ সাক্ষী কোন না কোন মামলার আসামী।

মনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার প্রধান সাক্ষী অবৈধভাবে সরকারি গাছ কাটা মামলার মূখ্য আসামী ছিল রাসেল। স্থানীয় সুত্র জানায়, ছোট বেলা থেকেই এড. মবিন উচ্ছ্বখৃংল প্রকৃতির লোক ছিল।

এ দিকে মুক্তিযোদ্ধার ছোট মেয়েকে যেন পাত্রস্থ না করতে পারে সে জন্য জোর করে দরজার সামনে বাঁশের বেড়া লাগিয়ে দিয়েছে। এ দিকে মালদ্বীপ থেকে মবিনের আপন ভাতিজা শেখ সাদী টেলিফোনে জানান  মবিন° র অত্যাচারে দেশে থাকতে পারিনি সে টাকার বিনিময়ে আমাকে দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা লতিফ মাস্টারকে খুন করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি তার পরোচনায় পা দেই নি বলে আমি দেশেই থাকতে পারিনিবাধ্য হয়ে প্রবাসে আসতে হয়ছিল।

পরে আমার ভাই শেখ ফরিদ ও আমার বাবা করিম সরকার মুক্তিযোদ্ধা লতিফ মাস্টারকে মারধর করে জখম করে উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে পশুত্বের পরিচয় দেয়।

মামলার তারিখ দেখায় মুক্তিযোদ্ধা লতিফ মাস্টারের ছোট মেয়ে যেদিন ভুমিষ্ট হয় সেদিন। জন্মের সাতদিনের মাথায় মা,৭ দিনের বাচ্চাকে নিয়ে আসামী হয়ে কোর্টে হাজির হতে হয়েছিল অসহায় মুক্তযোদ্ধার স্ত্রীকে। স্থানীয় লোকজনের কাছে আরো জানা যায় মবিনের কথামত কাজ না করায় তার মত বিরোধ হওয়ার কারনে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের স্ত্রীর অসুস্থতা, প্রতিবন্ধী সন্তানের অচলাবস্থা, ও বেকারত্বের সুযোগে এই অমানুষিক অত্যাচার ও বসতভিটা হইতে উচ্ছেদ করার কার্যক্রম প্রতিনিয়ত চালাচ্ছে সিনিয়র আইনজীবি মবিন ও তার ভাই ক্যাপ্টেন আব্দুর রহিমসহ মবিনের সাঙ্গপাঙ্গরা

আরো জানা যায় ঠিক একই কায়দা দীর্ঘ ৩০ বছর যাবৎ পরিবারটির উপর অত্যাচার চালিয়ে আসছে এবং নানাহ কুটকৌশলে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারটিকে ধ্বংস করার পায়তারা করছে।

পরিবারটিকে রক্ষা করতে ও পল্টিবাজ মবিনের কালো থাবা থেকে পরিত্রাণ পেতে পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য ও হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.