‘রোহিঙ্গা নির্যাতন গণহত্যার শামিল’

(Last Updated On: ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১৭)

রোহিঙ্গা নির্যাতন গণহত্যার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক। তিনি বলেছেন, এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা আরও জোরালো করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় দুটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার পর তিনি এ মন্তব্য করেন। তার সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনার বিনো পিয়েরে লারামি ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জুলিয়া নিব্লেট ছিলেন।

এ সময় তাঁরা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সম্প্রতি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে সেখানকার সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ, দমন-পীড়নের বর্ণনা শোনেন।

অ্যালিসন ব্লেক বলেন, শিবির পরিদর্শন করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবস্থা জানা গেল। পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা সে দেশে সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। এ নির্যাতন গণহত্যার শামিল।

পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের তিন হাইকমিশনার বলেন, রোহিঙ্গা নির্যাতনের যে বর্ণনা শোনা গেল, তা অত্যন্ত নির্মম। আর এ সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা আরও জোরালো করতে হবে।

আজ সকাল ১০টার দিকে তিন হাইকমিশনার কক্সবাজার থেকে সড়কপথে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে উখিয়া পৌঁছান। এরপর সেখানকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) এবং উন্নয়ন সংস্থা ‘এসিএফ’র স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। বেলা ১১টায় পৌঁছান ১০ কিলোমিটার দূরে উখিয়ার কুতুপালং অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা শিবিরে। এখানে টানা কয়েক ঘণ্টায় তারা (তিন রাষ্ট্রদূত) মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সদ্য পালিয়ে আসা অন্তত ৩০ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন।

Print Friendly, PDF & Email

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published.